কলাপাড়া
পটুয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
পটুয়াখালীর মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ী মো. ইদ্রিসকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি মো. আল রুমান ওরফে সাব্বিরকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে মহিপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম আলিপুর মাছ বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার সাব্বির স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আবুল হোসেন কাজী ওরফে আবুল কোম্পানির ছেলে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লতাচাপলী ইউনিয়নের আলিপুর স্লুইসগেট এলাকায় মুদি ব্যবসায়ী মো. ইদ্রিসের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পূর্ব বিরোধের জেরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আবুল হোসেন কাজী ওরফে আবুল কোম্পানির নির্দেশ ও অংশগ্রহণে তার ছেলে আল রুমান ওরফে সাব্বিরসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন আহত ইদ্রিস।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা চাইনিজ কুড়াল, ধারালো দা, হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে ইদ্রিসকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তার বাম হাতের কনুই ও কব্জির মাঝামাঝি অংশের হাড় ভেঙে যায়। এছাড়া মাথায় গুরুতর কাটা জখম, গোড়ালি ও পাঁজরে আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
স্থানীয়রা আহত ইদ্রিসকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ২৬ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত চিকিৎসাধীন থাকার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি মহিপুর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আল রুমান ওরফে সাব্বিরসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি মহিপুর থানায় জিআর-১০২/২০২৬ নম্বরে নথিভুক্ত হয়েছে। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, ‘মামলার পরপরই প্রধান আসামি আল রুমান ওরফে সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’



