আহত সূত্রে জানা যায়- উপজেলার রাজাপুর ৫নং ওয়ার্ডে আঃ হাই বেপারী গংদের একই গ্রামের সহিদ বেপারীর গংদের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে শহিদ বেপারি ও তার ভাই এনামুল বেপারী, জাহিদ বেপারী, ছেলে আরিফুল বেপারী, ভাইয়ের মেয়ে জাকিয়া বেগম, নিকট আত্মীয় রুবিনা বেগম, পারভীন বেগম মিলে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে রক্তাক্ত জখম হয় আব্দুল হাই বেপারী ও তার স্ত্রী রাহেলা বেগম, মেয়ে জিয়াসমিন বেগম, পুত্র বধু মানসুরা বেগম। আহতদের স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে উজিরপুর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে আহত আব্দুল হাই বেপারী জানান, জানান সহিদ বেপারী ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে তারা সবাই মিলে আমার স্ব-পরিবারের উপর পরিকল্পিত ভাবে অতর্কিত হামলা চালায় এবং রান্না ঘরে অগ্নিসংযোগ করে আমার শেষ সম্বল বসতবাড়ি, ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখলের পায়তারা চালায়। অভিযুক্ত সহিদ বেপারী হামলার বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়নি, তবে প্রস্তুতি চলছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান- অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে ওই হামলাকারীদের বিচারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন আহতের পরিবার।



