বোরহানউদ্দিন
সরকারি চাল ইউএনও অফিসে নেওয়ার পথে উধাও
ভোলার বোরহানউদ্দিনে অসহায়, দুস্থ ও জেলে পরিবারের জন্য বরাদ্দ সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুই অটোরিকশায় ৩৩ বস্তা চাল থাকার দাবি করা হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জমা হয়েছে ২৪ বস্তা। বাকি ৯ বস্তার হিসাব নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার কুতুবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দুটি অটোরিকশায় করে চাল অন্যত্র নেওয়ার সময় রানীগঞ্জ রাস্তার মাথায় অটোরিকশা দুটি আটক করেন কাজল ও রবিউল নামের দুই ব্যক্তি। তারা নিজেদের বিএনপি নেতা বলে পরিচয় দেন।
ওই দুই নেতার দাবি, অটোরিকশা দুটিতে ২৪ বস্তা সরকারি চাল ছিল। অটোরিকশা চলাচল দেখে সন্দেহ হলে আমরা চালসহ গাড়ি দুটি আটক করি। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানাই।
তারা বলেন, অটোরিকশাচালকদের কাছে চালগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, কুতুবা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মামুন তাদের এসব চাল দিয়েছেন
তবে অটোরিকশারচালক আলাউদ্দিনসহ দুজনের দাবি, গাড়ি দুটিতে মোট ৩৩ বস্তা চাল ছিল। আটক করার পর বাকি ৯ বস্তা চাল সরিয়ে ফেলেছেন বিএনপি নেতা কাজল ও রবিউল।
খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে চাল জব্দ করে। পরে ইউএনওর কার্যালয়ে ২৪ বস্তা চাল নেওয়া হয়।
কুতুবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান জোবায়েদ মিয়ার কাছে তার অনুমতি ছাড়া পরিষদ থেকে কীভাবে চাল বের হলো, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। দুপুর ২টার দিকে বাড়িতে যাওয়ার পর ঘটনাটি জানতে পেরেছেন।
৯ বস্তা চালের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



