২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ | ৭ই কার্তিক, ১৪৩৩
দৈনিক দেশজনপদ | logo
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • বরিশাল
      • বরিশাল সদর
      • গৌরনদী
      • আগৈলঝাড়া
      • বানারীপাড়া
      • বাকেরগঞ্জ
      • বাবুগঞ্জ
      • উজিরপুর
      • হিজলা
      • মুলাদী
      • মেহেন্দীগঞ্জ
    • ঝালকাঠি
      • ঝালকাঠী সদর
      • নলছিটি
      • কাঁঠালিয়া
      • রাজাপুর
    • পিরোজপুর
      • পিরোজপুর সদর
      • নাজিরপুর
      • জিয়ানগর
      • কাউখালী
      • স্বরূপকাঠী
      • মঠবাড়িয়া
      • ভান্ডারিয়া
    • পটুয়াখালী
      • পটুয়াখালী সদর
      • কলাপাড়া
      • গলাচিপা
      • বাউফল
      • দুমকী
      • মির্জাগঞ্জ
      • দশমিনা
    • বরগুনা
      • বরগুনা সদর
      • পাথরঘাটা
      • আমতলি
      • বামনা
      • বেতগী
      • তালতলী
    • ভোলা
      • ভোলা সদর
      • লালমোহন
      • মনপুরা
      • বোরহানউদ্দিন
      • তজুমদ্দিন
      • দৌলতখান
      • চরফ্যাশন
    • আন্তর্জাতিক
    • খেলাধুলা
    • বিনোদন
    • আমাদের পরিবার
    • সিগারেট ও তামাকপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • বরিশাল
      • বরিশাল সদর
      • গৌরনদী
      • আগৈলঝাড়া
      • বানারীপাড়া
      • বাকেরগঞ্জ
      • বাবুগঞ্জ
      • উজিরপুর
      • হিজলা
      • মুলাদী
      • মেহেন্দীগঞ্জ
    • ঝালকাঠি
      • ঝালকাঠী সদর
      • নলছিটি
      • কাঁঠালিয়া
      • রাজাপুর
    • পিরোজপুর
      • পিরোজপুর সদর
      • নাজিরপুর
      • জিয়ানগর
      • কাউখালী
      • স্বরূপকাঠী
      • মঠবাড়িয়া
      • ভান্ডারিয়া
    • পটুয়াখালী
      • পটুয়াখালী সদর
      • কলাপাড়া
      • গলাচিপা
      • বাউফল
      • দুমকী
      • মির্জাগঞ্জ
      • দশমিনা
    • বরগুনা
      • বরগুনা সদর
      • পাথরঘাটা
      • আমতলি
      • বামনা
      • বেতগী
      • তালতলী
    • ভোলা
      • ভোলা সদর
      • লালমোহন
      • মনপুরা
      • বোরহানউদ্দিন
      • তজুমদ্দিন
      • দৌলতখান
      • চরফ্যাশন
    • আন্তর্জাতিক
    • খেলাধুলা
    • বিনোদন
    • আমাদের পরিবার
    • সিগারেট ও তামাকপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব
    মেনু

    বরিশাল

    ‘মা ইলিশ’ রক্ষার অভিযানে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ, কাঠগড়ায় নৌ পুলিশ

    নিজেস্ব প্রতিবেদক | ৭:২০ মিনিট, অক্টোবর ২৩ ২০২৬

    মা ইলিশ রক্ষায় তেঁতুলিয়া নদীতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে নদীতে দিনরাত অভিযান চালানোর কথা নৌ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের। কিন্তু এই অভিযান ঘিরেই পটুয়াখালীর বাউফলে উঠেছে গুরুতর অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে, ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে জেলেদের নদীতে মাছ ধরার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আটক জেলেদের কারও কারও কাছ থেকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি অভিযানে জব্দ করা জাল ও মাছ গোপনে বিক্রির অভিযোগও উঠেছে কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে।

    তেঁতুলিয়া নদীর চরফেডারেশন, বাতিরখাল, চরওয়াঢেল, খানকা, চরকলাইয়া ও চর শৌলা পয়েন্ট ঘিরে কয়েক দিনের অনুসন্ধানে এসব অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় জেলে, নদীপারের বাসিন্দা এবং অভিযোগকারীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে অর্থ লেনদেনের একাধিক ঘটনা। তবে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    গত ৮ অক্টোবর থেকে তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়, যা ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলার কথা। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নৌ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযানের কথা থাকলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অনেক ক্ষেত্রে এককভাবে অভিযান পরিচালনা করছেন। এসব অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ এসআই মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার।

    অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের শুরু থেকেই একশ্রেণির জেলের সঙ্গে আর্থিক চুক্তির মাধ্যমে নদীতে মাছ ধরার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। ট্রলারপ্রতি ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন জেলে ও নদীপারের বাসিন্দা।

    গত ১৯ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তেঁতুলিয়া নদীর চরফেডারেশন ও দক্ষিণ চরওয়াঢেলের মাঝামাঝি এলাকায় সরেজমিন পর্যবেক্ষণে একাধিক মাছ ধরার ট্রলার দেখা যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, নৌ পুলিশের একটি টহল ট্রলার ওই এলাকায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় অবস্থান করছিল। কাছাকাছি দূরত্বে কয়েকটি জেলেট্রলারকে নদীতে জাল ফেলতে এবং মাছ ধরে চলে যেতে দেখা যায়।

    নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পুলিশের টহল ট্রলারের কাছাকাছি এমন দৃশ্য দেখে অভিযান পরিচালনার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ওই সময় মাছ ধরতে দেখা যাওয়া জেলেরা কোনো আর্থিক চুক্তির আওতায় ছিলেন কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    স্থানীয় জেলে ও নদীপারের বাসিন্দাদের দাবি, কিছু জেলে আগে থেকেই অভিযানের গতিবিধি জানতে পারেন। ফলে পুলিশ নদীতে নামার আগেই তাঁরা নিরাপদ স্থানে সরে যান। তাঁদের অভিযোগ, চরব্যারেট, বাতিরখাল, খানকা, দেবীরচর, চরকলাইয়া ও বগী-তুলাতলা এলাকার প্রায় অর্ধশত ট্রলারের জেলেদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সমঝোতা হয়েছে।

    অভিযোগের বিষয়ে কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, টাকার বিনিময়ে মাছ ধরার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। তবে টহলের কাছাকাছি জেলেদের মাছ ধরার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেক অসচ্ছল মানুষ নদীতে জাল ফেলেন, মানবিক কারণে তাঁদের ধরা হয় না।

    অভিযান ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আটক জেলে ও জব্দ করা সরঞ্জাম নিয়ে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার সময় জেলেদের আটক করার পর কখনো নদীর মধ্যেই অর্থ লেনদেনের আলোচনা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে কোনো কোনো জেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা জালও ১ হাজার ৫০০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। জব্দ মাছ হালি হিসেবে ৪০০ থেকে ৬ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগও করেছেন কয়েকজন।

    অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, এসব লেনদেনে কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির কয়েকজন সদস্য, ট্রলারচালক জালাল গাজী এবং তাঁর ভাই ফিরোজ গাজীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে অভিযোগের প্রতিটি লেনদেনের স্বাধীন প্রমাণ বা পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

    কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযান শুরুর পর থেকে ২১ অক্টোবর দুপুর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার অভিযোগে ৪৪ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ২২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ১১টি নিয়মিত মামলার মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল ও মাছ জব্দের কথাও জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস এবং মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

    তবে আটক ও সাজাপ্রাপ্তদের সরকারি নথি, জব্দ করা জালের পরিমাণ, ধ্বংসের কার্যবিবরণী এবং মাছ বিতরণের রসিদ যাচাই করা গেলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

    গত ১৬ অক্টোবর সকালে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে তেঁতুলিয়া নদীতে জাল ফেলতে গিয়ে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জেলে নুর আলম আটক হন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে ফিরোজ গাজীর মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিয়ে তিনি মুক্তি পান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

    একইভাবে গত ১৮ অক্টোবর ভোরে তেঁতুলিয়া নদীর চরদিয়ারা এলাকা থেকে চারটি ট্রলারসহ কয়েকজন জেলেকে আটক করা হয় বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, ট্রলারপ্রতি ৫ হাজার টাকা হিসেবে মোট ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

    মুক্তি পাওয়া জেলেদের একজন রাকিব (ছদ্মনাম)। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চারটি ছোট ইঞ্জিনচালিত ট্রলারসহ তাঁদের আটক করা হয়েছিল। পরে ট্রলারপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকায় ছেড়ে দেওয়ার সমঝোতা হয়। তাঁদের কাছে নগদ টাকা না থাকায় নৌ পুলিশের ট্রলারচালক জালাল গাজীর ভাই ফিরোজ গাজীর জিম্মায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁরা ওই টাকা পরিশোধ করেন বলে দাবি করেন রাকিব।

    একই দিন চরদিয়ারা এলাকার জেলে শাহিন, হারুন গাজীসহ কয়েকজনকে জালসহ আটক করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, হারুন গাজীসহ দুজনকে ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে শাহিনকে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মামলার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়।

    শাহিনের অভিযোগ, তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য নৌ পুলিশের এএসআই কবির হোসেন ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর আরও অভিযোগ, জব্দ করা জাল ভোলার লালমোহনের নাজিম নামের এক ব্যক্তির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

    এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত এএসআই কবির হোসেনের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। জাল জব্দ, সংরক্ষণ ও নিষ্পত্তির সরকারি নথি পরীক্ষা করলেই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

    গত ১৯ অক্টোবর চরফেডারেশন এলাকার একটি খাল থেকে মাছ ধরতে নামা এক জেলের ট্রলার জব্দ করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে নৌ পুলিশের ট্রলারচালক জালাল গাজীকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে ট্রলারটি ছাড়িয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পরদিন ২০ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে দক্ষিণ চরওয়াঢেল ও খানকা বাজারের পূর্ব-দক্ষিণ দিক থেকে চর রায়সাহেব এলাকা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০ জন জেলের জাল জব্দ করা হয় বলে অভিযোগকারীরা জানান।

    তাঁদের দাবি, জালগুলো জব্দের পর নৌ পুলিশের ট্রলারে রাখা হয়। পরে কয়েকজন জেলে জাল ফেরত পেতে ট্রলারচালকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে চরওয়াঢেলের জেলে শহিদুল ও সুজন ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে জাল ছাড়িয়ে আনেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    জাল ফেরত আনার পর স্থানীয় আরেক জেলে নুর জামাল অভিযোগ করেন, শহিদুল টাকা দিয়ে তাঁর জালও নিয়ে এসেছেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

    এদিকে পূর্ব কালাইয়া গ্রামের বাসিন্দা সোহাগের অভিযোগ, নদীতে জাল ফেলার পর চরফেডারেশন এলাকায় অবস্থানকালে নৌ পুলিশ তাঁর জাল জব্দ করে। পরে সেই জাল চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের কালা রাশেদ নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরকালাইয়া গ্রামের আরেক জেলে বলেন, শনিবার নদীতে জাল ফেলে তিনি চরে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় নৌ পুলিশের ট্রলার তাঁর জাল তুলে নেয়। পরে সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের পর ১ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে জাল ফেরত পান বলে তাঁর দাবি।

    অভিযোগকারীদের আরও দাবি, অভিযানে জব্দ করা জাল ও মাছ ট্রলারচালক জালাল গাজীর কাছে রাখা হতো। পরে সেগুলো বিক্রি করে পাওয়া অর্থ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো এবং এর বিনিময়ে কমিশন দেওয়া হতো। তবে এই অভিযোগের পক্ষে আর্থিক লেনদেনের নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    টাকার বিনিময়ে জেলে ও তাঁদের নৌকা-জাল ছেড়ে দেওয়া এবং জব্দ করা মাছ ও জাল বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার ও এএসআই কবির হোসেন। তাঁদের দাবি, এসব অভিযোগ মিথ্যা।

    তবে অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল অঞ্চল নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার এসএম নাজমুল হক বলেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    অন্যদিকে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ বলেন, নৌ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করার কথা। কিন্তু নৌ পুলিশ পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করায় সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে। অভিযানের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলে জানান তিনি।

    মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হলো ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন ধরে রাখা। এ সময়ে নদীতে অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কিন্তু অভিযানের মধ্যেই যদি অর্থের বিনিময়ে মাছ ধরার সুযোগ দেওয়া বা জব্দ করা সরঞ্জাম বিক্রির অভিযোগ ওঠে, তাহলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

    বাউফলের তেঁতুলিয়া নদীতে ওঠা এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযানের সরকারি নথি যাচাই, জব্দ করা জাল ও মাছের হিসাব পরীক্ষা এবং অভিযোগকারী জেলেদের বক্তব্য গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বক্তব্য ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।

    অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। আর অভিযোগের সত্যতা না মিললে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট করা উচিত। মা ইলিশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে নদী রক্ষার উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

    Spread the love

    সংশ্লিষ্ট খবর

    • তিন মাসের মধ্যে একনেকে উঠতে পারে ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক
    • বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে প্রশাসনের উদ্যোগ
    • ‘মা ইলিশ’ রক্ষার অভিযানে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ, কাঠগড়ায় নৌ পুলিশ
    • পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বাস খাদে, ২৫ যাত্রী আহত
    • বানারীপাড়ায় সেপটিক ট্যাংকে প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের
    • আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার
    • সাংবাদিক হত্যাসহ অপরাধের বিচার হবে প্রচলিত আইনে: তথ্যমন্ত্রী
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    • তিন মাসের মধ্যে একনেকে উঠতে পারে ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক
    • বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে প্রশাসনের উদ্যোগ
    • ‘মা ইলিশ’ রক্ষার অভিযানে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ, কাঠগড়ায় নৌ পুলিশ
    • পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বাস খাদে, ২৫ যাত্রী আহত
    • বানারীপাড়ায় সেপটিক ট্যাংকে প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের
    • আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার
    • ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘চাম্পি’, বাতিল ২০০ ফ্লাইট
    • সাংবাদিক হত্যাসহ অপরাধের বিচার হবে প্রচলিত আইনে: তথ্যমন্ত্রী
    • ইশরাকের পথে হেঁটে বিপাকে বরিশাল বিএনপি নেতা ফারুক!
    • মাসে ২০-২২টি ডিজে পার্টি, লাগত অনলাইন রেজিস্ট্রেশন
    • বরিশাল ডিসি অফিসের নাজিরের কোটি টাকার সম্পদ
    • করোনা ওয়ার্ডে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু
    • আইটি খাতের আয় পোশাক খাতকে ছাড়িয়ে যাবে- জয়
    • স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা নিচ্ছেন সহকারী শিক্ষিকা
    • আগামিকাল থেকে বন্ধ বরিশালের সকল প্রবেশপথ, বেড়েছে পুলিশের টহল
    • ২০২০ সালের প্রথম মহাকাশ অভিযানের নেতৃত্বে নারীরা
    • শিশুর সঙ্গে আপনার আচরণ :
    • মসিউল আলম সেন্টুর মৃত্যু বার্ষিকীতে মহানগর ছাত্রদলের দোয়া মোনাজাত
    • বাকেরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত
    • বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ সরকারি হলেও চলছে বেসরকারি কার্যক্রম

    বিজ্ঞাপন দিন

     অনুমতি ছাড়া দৈনিক দেশজনপদ ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।

    Copyright © দৈনিক দেশজনপদ 2020

    প্রধান সম্পাদকঃ ইঞ্জিঃ আব্দুস সামাদ রনি

    সম্পাদক ও প্রকাশক: তৌহিদুল মাজিদ (মির্জা রিমন)

    মোবাইল: 01711469226, 01713963629 ফোন: 0431-62115
    বর্তমান ঠিকানাঃ ব্রাউন কম্পাউন্ড শহিদ মিনারের অপজিটে, স্থায়ী ঠিকানা: মা মঞ্জিল, আমির কুটির, বরিশাল।

    Website Design & Developed by
    logo
    •  তিন মাসের মধ্যে একনেকে উঠতে পারে ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক
    •  বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে প্রশাসনের উদ্যোগ
    •  ‘মা ইলিশ’ রক্ষার অভিযানে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ, কাঠগড়ায় নৌ পুলিশ
    •  পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বাস খাদে, ২৫ যাত্রী আহত
    •  বানারীপাড়ায় সেপটিক ট্যাংকে প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের
    •  তিন মাসের মধ্যে একনেকে উঠতে পারে ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক
    •  বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কারে প্রশাসনের উদ্যোগ
    •  ‘মা ইলিশ’ রক্ষার অভিযানে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ, কাঠগড়ায় নৌ পুলিশ
    •  পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বাস খাদে, ২৫ যাত্রী আহত
    •  বানারীপাড়ায় সেপটিক ট্যাংকে প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের