ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়- উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের বজলু মোল্লার ছেলে চকমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র দীনইসলামকে দিয়ে সরকারি খাদ্য সহায়তা স্কুল ফিডিং প্রতিদিন স্কুল ভবনের দোতলায় আনা নেয়ার কাজ করানো হয়। এরই প্রেক্ষিতে গত ১৫ জুলাই বুধবার বেলা ১১ টার দিকে স্কুল ফিডিং রাস্তা থেকে মাথায় নিয়ে স্কুল ভবনের ২য় তলায় উঠতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে যায়। এরপর পরিবারের লোকজন আহত শিশুকে চিকিৎসা করান। তবে চিকিৎসার জন্য প্রধান শিক্ষিকার কোন ভূমিকা ছিলোনা বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। এছাড়া স্কুল প্রধান শিক্ষিকা আহত শিক্ষার্থীর খোঁজ খবর না নেয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা। প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আহত শিক্ষার্থীর বাবা বজলু মোল্লা জানান,স্কুলের দপ্তরী সিরাজুল ইসলাম আমার নাবালক শিশুকে দিয়ে স্কুল ফিডিং আনা নেয়ার কাজ করায়। এসময় মাথায় খাচি ভর্তি ডিম, রুটি নিয়ে স্কুল ভবনের ২য় তলায় উঠতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে হাত ভেঙে যায়। কিন্তু প্রধান শিক্ষিকা আয়শা আক্তার আমার আহত ছেলের কোন খোঁজ খবর নেননি। এমনকি এ বিষয়ে আমাকে প্রধান শিক্ষিকা মোবাইল ফোনও করেননি।
এছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব অবহেলার কারণেই এ দূর্ঘটনা ঘটেছে। অত্র বিদ্যালয়ের দপ্তরী সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করেন। প্রধান শিক্ষিকা আয়শা আক্তার জানান,বিষয়টি ঘটনার সময় জানতে পারিনি। তবে রাতে জানতে পেরে ছাত্র’র পরিবারকে ফোন করেছি, কিন্ত ফোন রিসিভ করেননি বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানা নেই, তবে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে আহত শিক্ষার্থীর পরিবার এ ঘটনায় বিচারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।



