আমতলি
আমতলী ইউএনও অফিসের সার্টিফিকেট সহকারি চিন্ময়ের খুটির জোড় কোথায়?
বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারি চিন্ময় হাওলাদারের খুটির জোড় কোথায়। খোজ নিয়ে জানা গেছে , ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে বরগুনা-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ সম্ভুর আত্মিয় হওয়ার সুবাদে তার সুপারিশে পাথরঘাটা ইউএনও অফিস থেকে প্রেষনে বদলি হয়ে আমতলীতে অসেন। তার সাথে আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে। সাবেক এমপি সম্ভুকে ব্যবহার করে অবৈধভাবে তার স্ত্রী তুলি রানীকে আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুতুবপুর দরবার সংলগ্ন কুতুবপুর ইসরাইলিয়া স্বতন্ত্র মাদ্রাসায় শিক্ষক পদে চাকুরী দেন।
কুতুবপুর মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান মো: গোলাম কিবরিয়ার কাছে তুলী রানীর শিক্ষক পদে কিভাবে নিয়োগ নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, চিন্ময় হাওলাদার বলেছেন, আমি ইউএনও অফিসের একজন স্টাফ, তার স্ত্রীকে মাদ্রাসায় চাকুরী দিলে তিনি দরবারে একটি টিউবওয়েল দিবেন এবং দরবার উন্নয়নের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বলে মোটা অংকের অনুদান দিবেন।
মাদ্রাসায় কোন টিউবওয়েল বা দরবারে কোন অনুদান পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি অক্ষেপ করে বলেন, পেছনের তারিখ দিয়ে তার স্ত্রীকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে অথচ আজ অবধি টিউবওয়েল ও দরবারে একটি টাকাও অনুদান পাইনি।
তুলি রানী নিয়মিত মাদ্রাসায় অসেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইবতেদায়ী প্রধান বলেন, তিনি কোন দিন মাদ্রাসায় আসেননি।
তার স্ত্রীর মাদ্রাসায় চাকুরী নেয়ার কথা স্বীকার করে চিন্ময় হাওলাদারে বলেন, তাকে চাকুরী দেয়া হয়েছে, যদি সরকারী হয় এই আসায়। তবে এখন অমি নিষেধ করে দিয়েছি। তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
সার্টিফিকেট সহকারী পদে চাকুরী করে তিনি আমতলীর অত্যাধুনিক বিলাশ বহুল বাসায় ভাড়া থাকেন। ভাড়া বাসায় দামী আসবাবপত্রসহ এসিও লাগিয়েছেন তিনি।
খোজ নিয়ে আরো জানা গেছে- তিনি ছাত্রজীবনে আওয়ামী ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বিধায় এখনো ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে তার গোপন যোগাযোগ রয়েছে। প্রায় ৩ বছর অতিবাহিত হলেও তিনি এখনো বহাল তবিয়াতে আমতলী ইউএনও অফিসে কিভাবে আছেন এ নিয়ে নানামুখি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।



