গৃহবধূকে হত্যার পর মালপত্র লুট
এলাকাবাসীর প্রাথমিক ধারণা, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরের পেছনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। মালপত্র লুটপাটে বাধা দেওয়া অথবা চিনে ফেলার কারণে জেসমিন বেগমকে হত্যা করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপার, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এবং থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অপরাধীদের শনাক্ত করতে আলামত সংগ্রহ করেছে সিআইডি।কাউখালী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পিরোজপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা ও মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।
