দুই নারীকে মারধরের অভিযোগ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিবের বিরুদ্ধে
অভিযোগ রয়েছে, হুমায়ূন ওই গৃহবধূকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। এ ঘটনায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর দাড়িয়াল গ্রামের মিয়া বাড়ি এলাকায় সালিশি বৈঠক বসে।
সালিশে সিদ্ধান্ত হয়, গৃহবধূকে নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় হুমায়ূন সরদারকে তার বাবা ইসমাইল সরদার শাসন করবেন। অন্যদিকে মিজানুর রহমান মিজু হাওলাদারের স্ত্রীকে তার স্বামী শাসন করবেন। এ সময় সালিশে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়।ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, একপর্যায়ে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব কামরুজ্জামান মিজান মিঞ্চা ও মৃত ইউসুফ আলী মিয়ার ছেলে বকুলি বেগম ও ঝরনা বেগমকে মারধর করেন।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। ভুক্তভোগী বকুল বেগমের ছোট ছেলে সুমন সরদার বলেন, সালিশের মধ্যে আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে আমি ডাক্তারের কাছে যাই। এরপর আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মারধরের ঘটনা দেখতে পাই। কামরুজ্জামান মিজান বলেন, সেখানে কয়েক’শ লোক ছিল। এ সময় উচ্ছৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে একজনকে একটু ধাক্কা দিতে হয়েছে। ব্যাপকভাবে মারধরের যে কথা বলা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা এখনো জানি না। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।