বরিশালে একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ২৫ রোগী

নিজেস্ব প্রতিবেদক | ২১:২১, সেপ্টেম্বর ১১ ২০২৬ মিনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল বিভাগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৭ হাজার ৯০৫ জন। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের এবং চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭ হাজার ৪১৫ জন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছেন ৪৭৮ জন।

বরিশাল বিভাগের পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৩৮ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালীতে একজন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ জন, ভোলায় ৪ জন এবং পিরোজপুরে ৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এসময়ে বরিশাল, বরগুনা ও ঝালকাঠিতে নতুন কোনো রোগী ভর্তি হয়নি।

একই সময়ে পটুয়াখালীতে একজন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯ জন, ভোলায় ১০ জন এবং পিরোজপুরে ৮ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন। বরিশাল, বরগুনা, ঝালকাঠি ও বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় কেউ ছাড়পত্র পায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি বছরের শুরু থেকে মোট আক্রান্তের হিসাবে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে পিরোজপুরে ২ হাজার ৯১ জন। এরপর রয়েছে বরগুনায় ১ হাজার ৮০ জন, বরিশালে ৮১৬ জন, পটুয়াখালীতে ৭৬১ জন, ভোলায় ৪৫০ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩৬ জন এবং বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৪৭ জন। ঝালকাঠিতে মোট রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৮২৪ জন বলে প্রতিবেদনের তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মোট মৃত্যুর হিসাবে পিরোজপুরে ১ জন এবং বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন মারা গেছেন। বিভাগীয় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১২ জন।

এদিকে চিকিৎসা নিয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন পিরোজপুরে ২ হাজার জন। ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৭৬৩ জন, বরগুনায় ১ হাজার ২০ জন, বরিশালে ৭৭৯ জন, পটুয়াখালীতে ৭১০ জন, ভোলায় ৪২৫ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০৫ জন এবং শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪১৩ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। বিভাগে মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭ হাজার ৪১৫ জন।