বরিশালে অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকায় বেনামী সংগঠনের নামে, লাঠি হাতে নিয়ে ব্লু গ্যাসের গাড়ি ও হলুদ অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রভাবশালী ও শ্রমিক-মালিক সমিতির নাম ভাঙিয়ে ১০ থেকে ২০ টাকা করে দিনে একাধিকবার খুচরা চাঁদা তোলা হয় এখান থেকে। যেকারণে হাড়ভাঙা খাটুনির পর আয়ের একটি বড় অংশ চাঁদাবাজদের পকেটে চলে যাওয়ায় চালকদের জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হচ্ছ। এমনটাই অভিযোগ করেছেন নগরের কাশিপুর এলাকার হলুদ অটোরিকশা চালক সেকান্দার।
তিনি বলেন, নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকায় বেনামী সংগঠনের নামে, লাঠি হাতে নিয়ে ব্লু গ্যাসের গাড়ি ও হলুদ অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে প্রতিদিন ২০টাকা করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। এসব চাঁদাবাজি করছে নগরীর ফরেস্টার বাড়ির পোল এলাকার বাসিন্দা বজলুর ছেলে মারুফ ও তার সহযোগী অলি।
তাদের (চাদাবাজদের) দাবিকৃত চাদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে লাঠি দিয়ে আমাদের শরীরে আঘাত করে। এমনকি আমাদের গাড়িতে তারা লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করে। চাদাবাজদের চাঁদার চাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এই রুটের থ্রি হুইলার চালকরা।
তবে চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে মারুফ ও তার সহযোগী অলি বলেন, এখানে যত্রতত্র ব্লু গ্যাসের গাড়ি ও হলুদ অটোরিকশা রাখা হয়। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে ও যানযট নিরসনে আমরা তাদেরকে একটি সিরিয়াল করে দেই। বিনিময়ে কোনো টাকা নেই না।
এদিকে অটোরিকশার যাত্রী আমিন হাওলাদার বলেন, চাঁদার অতিরিক্ত টাকা তুলতে চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে বাধ্য হন। যেকারণে যাত্রীরাও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। আমরা এমন হয়রানি থেকে নিস্তার চাই।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য বরিশাল থ্রি হুইলার চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কালাম মল্লিক ওরফে কালুর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা রিসিভ হয়নি।
অন্যদিকে বরিশাল জেলা থ্রি হুইলার মালিক সমিতির সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে কোনরকমে কেউ কালেকশনের টাকা উত্তোলন করছে না। সংগঠনের নামে কেউ চাঁদাবাজি করলে আপনারা (সংবাদকর্মী) চাদবাজদেরকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিন।
