বরিশাল সাগরদী মাদ্রাসার ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

নিজেস্ব প্রতিবেদক | ২২:১৪, জুন ২০ ২০২৬ মিনিট

বরিশাল সাগরদী ইসলামিয়া মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের বাংলা বিষয়ের শিক্ষিকা মরিয়মের বিরুদ্ধে। বেতের আঘাতে ওই ছাত্রের গায়ে গভীর ক্ষতের তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হলেও স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। এদিকে সালিশ করে ওই শিক্ষিকার কাছ থেকে একটি চক্র ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নির্যাতনের শিকার ছাত্রের নাম মোঃ তাসিম। তিনি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) শিক্ষিকার নিজ ভাষায় প্রাইভেট পড়ার সময় একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষিকা মরিয়ম তাসিমকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। বেতের আঘাতে ওই ছাত্রের গায়ে গভীর ক্ষতের তৈরি হয়েছে। ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সিটিএসবির সদস্য মামুন উপস্থিত ছিলেন।

সালিশে অভিযুক্ত শিক্ষিকা ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলে ছাত্র তাসিমের পরিবার বিষয়টি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়।

এদিকে একটি চক্র বিষয়টি সমাধানের তাদের ভূমিকা রয়েছে দাবি করে ওই শিক্ষিকার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষিকা মরিয়মের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি। সালিশ চলার সময় প্রতিবেদক গোপন ক্যামেরায় তার বক্তব্য ধারণ করেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- তাসিমের পুরো শরীরে ১৫ থেকে ২০ টি বেতের আঘাতের চিহ্ন। যার এক একটির গভীরতা পাঁচ থেকে আট ইঞ্চি।

স্থানীয়রা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

সাগরদী ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টা আমি জানি বিষয়টা খুব নেককারজনক ঘটনা ছাত্রর ছবি তার বাবা আমাকে দেখিয়েছিল বিষয়টি খুব খারাপ কাজ হয়েছে।