জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠন করা হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার

নিজেস্ব প্রতিবেদক | ২৩:১২, মে ১২ ২০২৬ মিনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যসেবাকে প্রযুক্তিনির্ভর ও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এআইভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা চালু এবং প্রতিটি অঞ্চলে অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। একইসঙ্গে বরিশাল নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও রিসাইক্লিংভিত্তিক কাঠামোয় রূপ দেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।মঙ্গলবার (১২ মে) বরিশালে পৃথক দুটি মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। দিনের প্রথম ভাগে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেমিনার কক্ষে হাসপাতালের পরিচালক, অধ্যক্ষ, চিকিৎসক, নার্স এবং বিভাগীয় ও জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। এ সময় তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রাম ও অঞ্চলে ডোর টু ডোর স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। স্বাস্থ্যখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় এনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর চিকিৎসাসেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দ্রুত জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি অঞ্চলে অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠন করা হবে। তিনি আরও জানান, শেবাচিম হাসপাতালের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং সার্বিক চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যবিষয়ক এই সভায় উপস্থিত ছিলেন শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনির, চিকিৎসক, নার্স এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নেতৃবৃন্দ। পরে দুপুরে নগরীর সার্কিট হাউজে বরিশাল সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নাগরিক ও সুধীসমাজের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ সহকারী। এ সময় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন, সিভিল সার্জন ডা. এস. এম. মনজুর ই এলাহী, স্বাস্থ্য বিভাগের বরিশাল বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লোকমান হাকিম, বিসিসির পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী, মাহবুব আলম, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বর্জ্য ডাম্পিংয়ের পরিবর্তে পুনর্ব্যবহার ও রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করা সম্ভব। একইসঙ্গে পলিথিনের অবাধ ব্যবহার ও যত্রতত্র ফেলে দেওয়ার কারণে নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলেও মত দেন তারা।