পিরোজপুরে তীব্র পানি সংকট: ভোগান্তিতে ২ লাখ মানুষ, শহর ছাড়ছেন ভাড়াটিয়ারা
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ১৯৮৩ সালে স্থাপিত এই পানি শোধনাগারটি শুরুতে মাত্র ৫০ হাজার লিটার পানি উৎপাদন করতো। বর্তমানে উৎপাদন বাড়িয়ে প্রায় তিন লাখ লিটারে নেওয়া হলেও চাহিদার তুলনায় অনেক কম।
পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজিয়া বেগম বলেন, “পানির সমস্যার কারণে ভাড়াটিয়ারা থাকতে চায় না। আমার তিনটি ঘরের মধ্যে দুইটির ভাড়াটিয়া চলে গেছে।”
২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অমিত জানান, ১৫ হাজার টাকা খরচ করে সংযোগ নিয়েও পানির অভাবে তা ব্যবহার করতে পারছেন না।লাইনে পানি না থাকায় সংযোগ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। আমাদের এলাকায় টিউবওয়েল বসানোও সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে পৌরসভার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান জানান, একসময় গ্রাহক সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০০, বর্তমানে তা বেড়ে ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নদী-খাল শুকিয়ে যাওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে। সংকট মেটাতে গত ১ এপ্রিল থেকে রিজার্ভ পুকুর পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া একটি নতুন শোধনাগার স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে যা বাস্তবায়িত হলে স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে।
দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন প্রচণ্ড গরমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 