“মাদক ও জুয়া সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ” সংসদ সদস্য সান্টুর ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
নিজেস্ব প্রতিবেদক|২১:২৯, মার্চ ০২ ২০২৬ মিনিট
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ইতিবাচক একটি ফেসবুক পোস্ট ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
যা শুধু ওই নির্বাচনী আসনেই নয় পুরো বরিশালজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সংসদ সদস্যর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতে লেখা পোস্টটি হুবাহু তুলে ধরা হলো-“বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, মাদক ও জুয়া এই সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ।
এগুলো যুবসমাজকে ধ্বংস করে, পরিবার ভাঙে, অপরাধ বাড়ায় এবং ভবিষ্যৎকে অন্ধকার করে। আমি দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করছি, এই আসনের প্রতিটি ওয়ার্ড, গ্রাম ও মহল্লায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম ও সচেতন নাগরিকদের নিয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে উজিরপুর ও বানারীপাড়াকে একটি মাদকমুক্ত, জুয়ামুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলি। যুবসমাজ বাঁচলে দেশ বাঁচবে। এই লড়াইয়ে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।”
সোমবার (২ মার্চ) নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, একজন সংসদ সদস্য চাইলে তার আসনে যেকোন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব। কারণ অতীতের সংসদ সদস্যদের ছত্রছায়ায় থেকেই অপরাধীরা তাদের সবধরনের অপকর্ম পরিচালনা করেছে।
যেকারণে প্রশাসনের কর্মকর্তারা চোখ দিয়ে সকল অপকর্ম প্রত্যক্ষ করলেও সংসদ সদস্যর ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তারা কোন আইনী ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, বরিশাল-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু নিজের আইডি দিয়ে ফেসবুকে যে পোস্ট করেছেন তা সত্যিকার অর্থে প্রশংসার দাবি রাখেন। এতে করে মাঠপ্রশাসনের কাজেরগতি বৃদ্ধি পায়।
পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নির্বিঘ্নে অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে সাহস পাবেন। এদিকে এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি দিয়ে সতর্কমূলক মাইকিং করিয়ে প্রশংসিত হন। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সর্বনাশা মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে তাঁর জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার ইতিবাচক পোস্ট প্রশংসার মাত্রা আরও বহুগুন বাড়িয়েছে।