নিজেস্ব প্রতিবেদক|১৮:৪৭, ফেব্রুয়ারি ০৩ ২০২৬ মিনিট
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ওই গৃহবধূর বাড়ির পেছনের বাথরুমে মরদেহটি দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত গৃহবধূর নাম মুক্তা বেগম। তিনি ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে জুয়েলের স্ত্রী।
নিহতের মা রানু বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়ে কীভাবে মারা গেছে তা আমি জানি না। তবে এটা আত্মহত্যা নয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের কারণেই আমার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে। শাশুড়ি, দেবরসহ শ্বশুরবাড়ির সবাই দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
অন্যদিকে নিহতের স্বামী জুয়েল দাবি করেন, ‘ফজরের নামাজের পর মুক্তা আমার পাশ থেকে উঠে যায়। তখন সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিছুক্ষণ পর ঘুম থেকে উঠে দেখি ওকে ঘরে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পেছনের বাথরুমে আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওকে দেখতে পাই। পরে আশপাশের লোকজন ডাকলে সবাই মিলে ওকে নামানো হয়।’
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’