বরিশালে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই সমন্বয়ককে পুলিশের দিল বিচারক!
এ.এ.এম হৃদয়|২১:১৫, ফেব্রুয়ারি ০১ ২০২৬ মিনিট
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালে চাঁদাবাজির অভিযোগে সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী দুই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক। রোববার (১লা ফেব্রুয়ারি) বরিশাল আদালত চত্ত্বর থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে ভুক্তভোগী আবদুল হাই নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে সেই মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী দুই যুবকের নাম নাঈম ও কামরুল। এ মামলায় নজরুল ইসলাম নামের আরেকজনকে আসামী করা হয়েছে।
জানা গেছে- নগরীর ১৫ নং ওয়ার্ডস্থ সিএন্ডবি ১নং পোল এলাকার আবদুল হাইয়ের ভবন নিয়ে ঝামেলা চলছিল। সেই বিরোধ মিমাংসার কথা বলে ইতিপূর্বে নাঈম ও কামরুলসহ বেশ কয়েকজন যুবক সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে তার কাছ থেকে দফায় দফায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার বিকেলে আবদুল হাই আদালতে আসলে তার কাছে আরও ৫ লাখ চাঁঁদাদাবি করেন অভিযুক্তরা। আবদুল হাই চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এ সময় ডাক-চিৎকার শুনে বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নিজেই ছুটে যান। তিনি বিস্তারিত ঘটনা জেনে নাঈম ও কামরুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ভুক্তভোগী আবদুল হাইকে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেন। পরে আবদুল হাইয়ের করা মামলায় নাঈম ও কামরুলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার পর থেকে আদালত চত্ত্বর ও কোতয়ালী মডেল থানায় ভিড় জমাতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে বাড়তি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েত করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মামুন উল ইসলাম জানান- চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আবদুল হাই করেছেন। সেই মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।