হাফেজ ছাত্রদের জ্ঞানের বাতিঘর

নিজেস্ব প্রতিবেদক | ২২:১৫, আগস্ট ২৭ ২০২৫ মিনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কুরআন শরীফ হাফেজ ছাত্রদের জ্ঞানের বাতিঘর হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে দারসুল কুরআন একাডেমি মাদ্রাসা। বরিশাল নগরীর কাশিপুরে পাচতলা ভবন নিয়ে গড়ে উঠেছে মাদ্রাসাটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মুবিনুল ইসলামের কঠোর শ্রম ও অধ্যবসায় অভিযোজনীয় কৌশলে নান্দনিক হয়ে উঠেছে মাদ্রাসাটি। ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা ছিল তার সবচেয়ে উদ্ভাবনী দিক, যা পার্থিব জীবন ও জ্ঞানের এক অসাধারণ সমন্বয় ঘটিয়েছে। ফলে মাদ্রাসাটি বরিশালে জ্ঞানের বাতিঘর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। যেখানে কোরআন, হাদিস, ফিকহ, তাফসিরের পাশাপাশি ভাষাবিজ্ঞান, নিয়মানুবর্তীত জীবনধারা শেখানো হয়। গতকাল ২৬ আগষ্ট দারসুল কুরআন একাডেমি মাদ্রসায় ৬৪ জন কুরআনে হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান করা হয়েছে। পাগড়ি প্রদান উপলক্ষে আন্তজার্তিক ক্বিরাত সম্মেলন ও নাশিদ সন্ধ্যা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মির্জাগঞ্জ নূরে মাদীনা মাদ্রাসার পরিচালক শাইখ জাকির হুসাইন আজমী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এ কে এম মজিবুর রহমান, সরকারী ফজলুল হক কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুর রব ও দারসুল কুরআন একাডেমি মাদ্রসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মুবিনুল ইসলাম সহ বরিশালের বিভিন্ন মাদ্রাসার হাফেজ ও শিক্ষকবৃন্দ। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মুবিনুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসাটি ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থার একটি মাইলফলক। এর শিক্ষাব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পরবর্তীতে দক্ষিণাঞ্চলের মাদ্রাসাগুলোর জন্য মডেল হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। এটি পার্থিব ও ধর্মীয় জ্ঞানের সমন্বয়ের একটি নজির স্থাপন করবে, যা ইসলামি শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।