নিজস্ব প্রতিবেদক॥ গ্রেপ্তার রিয়াজ ও আল আমিন র্যাবকে জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা দিতে তারা ঢাকা থেকে বরিশালে এসেছিলেন। পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য মাহাবুব আলম তুহিনের কাছ থেকে ৩০ হাজার করে টাকা নিয়েছেন তারা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আরও ২ লাখ টাকা দেয়ার চুক্তি ছিল।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থীর বদলে প্রক্সি দেয়ার আগেই তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে অনলাইনে করা আবেদন ও প্রবেশপত্র, চেকবই ও মোবাইল জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব-৮-এর উপপরিচালক মেজর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শুক্রবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বরগুনার আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী ও তালতলী উপজেলার উত্তর ঝাড়াখালি এলাকার বাসিন্দা মাহাবুব আলম তুহিন, একই উপজেলার বড় পারা এলাকার রিয়াজ হোসেন ও বরগুনা সদর থানার কদমতলা এলাকার আল আমিন।
তাদের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় র্যাব-৮-এর ডিএডি এনামুল হক মামলা করেছেন।
উপপরিচালক জাহাঙ্গীর বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে বরিশাল লঞ্চঘাটের ২ নম্বর গেটের সামনে থেকে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে গ্রেপ্তার মাহাবুব আলম তুহিন জিজ্ঞাসাবাদে জানান, শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় টাকার বিনিময়ে প্রার্থীদের পক্ষে মেধাবী ছাত্রদের দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানো হয়। প্রতি প্রার্থীর কাছ থেকে ৮-১০ লাখ টাকা নেয়া হয়। টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাংকের চেক ব্যবহার করে চক্রটি।’
গ্রেপ্তার রিয়াজ ও আল আমিন র্যাবকে জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা দিতে তারা ঢাকা থেকে বরিশালে এসেছিলেন। পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য মাহাবুব আলম তুহিনের কাছ থেকে ৩০ হাজার করে টাকা নিয়েছেন তারা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আরও ২ লাখ টাকা দেয়ার চুক্তি ছিল।
মেজর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে সিল, পরীক্ষার অনলাইন আবেদন কপি, বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবইসহ, জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত ৭টি মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।