কাউন্সিলর মান্নাকে তুলে নিয়ে গেছে সাদা পোশাকধারী

দেশ জনপদ ডেস্ক | ০০:৪৩, আগস্ট ২১ ২০২১ মিনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক।। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্না কে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত ১০টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধিন শিয়া মসজিদ সংলগ্ন বোনের বাসা থেকে দুজন সাদা পোশাকধারী লোক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ধরে নিয়ে যায় বলে দাবি মান্নার বড় ভাই শেখ কুতুব রানার। তবে শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্নাকে ধরে নেয়ার বিষয়টি সম্পর্কে কিছু জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্না বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শেখ কুতুব উদ্দিন আহমেদ এর ছোট ছেলে। তিনি বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ সংঘর্ষের ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের দায়েরকৃত মামলার দুই নম্বর আসামি। কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্নার বড় ভাই শেখ কুতুব মান্না দাবি করেছেন, তার ছোট ভাই মান্না ঢাকার মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ এলাকায় বোনের বাসায় অবস্থান করছিলেন। এরিমধ্যে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সাদা পোশাকে আসা দুজন ব্যক্তি নিজেদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে তাদের সাথে করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। তবে কোথায় নেয়া হয়েছে সে বিষয়টি জানায়নি ওই দুই ব্যক্তি। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর পরই মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে খোঁজ নেয়া হয়েছে। এমনকি কোতয়ালী মডেল থানায়ও খোঁজ নেয়া হয়েছে। তারা কেউ মান্নাকে ধরে আনেননি বলে আমাদের জানিয়েছে। এখন ডিবি সহ অন্যসব স্থানে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল লতিফ বলেন, একজন লোক এসেছিলেন কাউন্সিলর মান্নার খোঁজ করতে। তবে আমাদের থানার কেউ তাকে গ্রেফতার করেনি। তাছাড়া অন্য কোন বাহিনী তাকে গ্রেফতার করেছে কিনা সে বিষয়ে আমাদের কাছে কোন তথ্য নেই। বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, ‘কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্না ইউএনও’র বাসায় হামলা এবং পুলিশের সরকারি কাজে বাধা ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। তবে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমাদের কেউ তাকে গ্রেফতার করেনি। তাছাড়া বিষয়টি তার পরিবার বা অন্য কোন মাধ্যমেও আমাদের জানানো হয়নি।