নিহতদের পরিচয় শনাক্তে সময় লাগবে এক মাস

দেশ জনপদ ডেস্ক | ১৬:৫৬, জুলাই ১০ ২০২১ মিনিট

রিপোর্ট দেশ জনপদ ॥  নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ফুডস ফ্যাক্টরিতে (সেজান জুসের কারখানা) অগ্নিকান্ডে নিহত ৫২ জনের পরিচয় জানতে এক মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের ডিএনএ পরীক্ষক মোহাম্মদ মাসুদ রাব্বী সবুজ। তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ২৬ টি মরদেহের বিপরীতে ৩৫ জন দাবিদারের নমুনা সংগ্রহ করেছি। এখনও সব দাবিদার আসেননি। তারা এলে পর্যায়ক্রমে তাদের নমুনা নেয়া হবে। একইসঙ্গে যাদের নমুনা নেয়া হয়েছে সেগুলো ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। সব মিলিয়ে আশা করা যায় এক মাস সময়ের মধ্যে পরিচয়গুলো আমরা শনাক্ত করতে পারব।’ শনিবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টায় এ তথ্য জানান তিনি। নিহতদের পরিচয় রূপগঞ্জ থানা ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জানা যাবে উল্লেখ করে মোহাম্মদ মাসুদ রাব্বী বলেন, ‘নিহতদের পরিচয় রূপগঞ্জ থানা ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জানতে পারবেন স্বজনরা। তারা এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্ট। ওনাদের মাধ্যমে পরিবারগুলো তথ্য পেতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রেফারেন্স নমুনা সংগ্রহ করছি। মৃত ব্যক্তির দাবিদাররা এসেছেন। তাদের কাছ থেকে রক্ত নিচ্ছি। ডেডবডির দাঁত ও হাড় সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ধরনের নমুনাগুলো আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করব।’ এদিকে, ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কারণ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম বেপারীকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়াও অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মৃতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২ লাখ এবং আহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে সরকার আর্থিক সহযোগিতা দেবে বলে জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের সেজান জুসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় অন্তত ৫২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।