আটকে রাখা যাচ্ছে না শ্রমজীবী মানুষকে

দেশ জনপদ ডেস্ক | ১৭:৩৬, এপ্রিল ২৩ ২০২১ মিনিট

রিপোর্ট দেশ জনপদ ॥  বৈশ্বিক মহামারী করোনা থেকে রক্ষা পেতে কঠোর লকডাউনেও বরিশালে কোনভাবেই শ্রমজীবী মানুষকে ঘরে আটকে রাখা যাচ্ছে না। তারা যে কোন পন্থায় রোজগারে পথে বের হয়ে আসছে। এরপর আইনশৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাকি দিয়ে নিত্যদিনের চাহিদা পূরণে যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। করোনায় আক্রমন করলেও পরিবার-পরিজনের মুখে তিন বেলা খাবার তুলে দিতে আয় করতেই হবে বলে জানিয়েছেন তারা। এ অবস্থার পরিবর্তনে লকডাউনের পূর্বে শ্রমজীবী মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি উঠেছে। বোঝার পর থেকেই বরিশাল নদী বন্দরে অবস্থান করছে সাইফুল। লকডাউন ঘোষনার পর থেকে একদিনও তিনবেলা খাবার জোটেনি। নদী বন্দরে তার মতো আরো ২৫ থেকে ৩০ কিশোর-যুবক রয়েছে। তাদের অবস্থাও একই। এভাবে নগরী থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু সাইফুল। যারা লকডাউনে পরিবার পরিজনের মুখে ঠিকমত খাবার তুলে দিতে রোজগারের পথে বের হয়ে আইনশৃংখলা বাহিনীর রোষানলে পড়ছেন। কেউ বা বেছে নিয়েছেন ভিক্ষার পথও। লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষকে সড়কে নামতে দেয়া হচ্ছে না, এমনকি সরকারও তাদের দায়িত্ব নিচ্ছে না। এতে করে অপরাধপ্রবনতা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে, আশংকা নগরবাসীর। শ্রমজীবী মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলেই কঠোর লকডাউন সফল সম্ভব, বললেন বাসদ নেত্রী। সরকার থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা না পাওয়ায় শ্রমজীবী মানুষ আয়ের জন্য সড়কে নামছে, এতে করে লকডাউন সফল হবে না। উপরন্তু আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে দ্বন্দ্ব বাড়বে, বললেন সুজন সম্পাদক। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বরিশালসহ বিভাগের ছয় জেলায় শ্রমজীবী মানুষ রয়েছে ২২ লাখ ৪১ হাজার ৭শ’৬৮জন। এদের সাথে জড়িয়ে আছে তার পরিবারের সদস্যরা।