ভোলা
ভোলায় সংবাদকর্মীকে হেনস্তা ও হুমকি, পল্লী বিদ্যুতের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পেশাগত ক্ষমতার অপব্যবহার, অশালীন গালিগালাজ এবং এক সংবাদকর্মীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী তৈয়বুর রহমান প্রতিকার ও নিরাপত্তা চেয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন– ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম (কারিগরি) সাদেক মিয়া এবং এজিএম (মানবসম্পদ) মিলকান উদ্দিন।
লিখিত অভিযোগ ও সংবাদকর্মী তৈয়বুর রহমানের ভাষ্যমতে, তিনি জাতীয় দৈনিক ‘দ্য বাংলাদেশ টুডে’ পত্রিকায় কর্মরত এবং দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে ইতিবাচক লেখালেখি করে আসছিলেন। তবে সম্প্রতি চরফ্যাশন জোনাল অফিসের অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত কিছু তথ্য সামনে আসায় ক্ষিপ্ত হন ওই দুই কর্মকর্তা।
ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী জানান, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তাকে অফিসে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে ডিজিএম সাদেক মিয়া ও এজিএম মিলকান উদ্দিন তাকে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং জনসম্মুখে ‘বিআরইবি-র দালাল’ বলে অপমান করেন।
অভিযোগ রয়েছে, এজিএম মিলকান উদ্দিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে ব্যক্তিগত সখ্যতার দোহাই দিয়ে তৈয়বুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত এজিএম মিলকান উদ্দিন এর আগে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ থেকে শাস্তিমূলক বদলি হয়ে ভোলায় যোগদান করেছেন।
তৈয়বুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভালো কাজের প্রশংসা করা যদি অপরাধ হয় এবং অনিয়মের কথা বললে যদি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হতে হয়, তবে তা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
ইতোমধ্যে অভিযোগের অনুলিপি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) চেয়ারম্যান এবং নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ডিজিএম সাদেক মিয়া এবং এজিএম মিলকান উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



