পটুয়াখালী
বাউফলের গ্রামগঞ্জের ভোটারদের জানা নেই গনভোটের হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ না ভোটের ব্যালট পেপার রেখেছে নির্বাচন কমিশন। হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানা নেই পটুয়াখালী-২ বাউফল উপজেলার গ্রামগঞ্জের অধিকাংশ নারী- পুরুষ ভোটারদের।
বাউফল উপজেলার সরকারি অফিসগুলোর মাধ্যমে লম্বা আকাঁরের ব্যানার ঝুলিয়ে হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানান দেয়া হচ্ছে। তবে গ্রামগঞ্জের সাধারন নারী – পরুষ ভোটারদের হ্যাঁ এবং না ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে জোড়ালো প্রচার প্রচারণা চোঁখে পরার মতো নয়। এ উপজেলার সাধারন ভোটারদের ধারনা দলীয় প্রতীক অথবা মার্কায় ভোট দিতে হবে।
এর সাথে এবার হ্যাঁ এবং না ভোটের ব্যালোটের কথা শুনা যাচ্ছে। না ভোট অথবা হ্যাঁ ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অধিকাংশ ভোটার। কেউ কেউ বলছেন হ্যাঁ ভোট দিলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে। জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের শাসন নিশ্চিত করাই এই এবারের ভোটারদের মূল লক্ষ্য।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। সিপিবি, বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের অংশীদার দলগুলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যোগ দিলেও জুলাই সনদে সই করেনি। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছে এবং গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারগুলোকে চারটি প্রশ্নের একটি প্যাকেজে এনে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা পুরোপুরি অগণতান্ত্রিক। গণভোটে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রাখা হয়নি।
এতে প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে না। জুলাই সনদের ঐকমত্যের দ্বাবী করেন। হ্যাঁ ভোট দিলে আগামী ৫০ বছর আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি এবং গুম খুনের মতো ঘর্টনা আর ঘটবে না। এদিকে বাউফলের দলীয় প্রর্থীরা নিজের প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। কিন্তু হ্যাঁ বা না ভোটের বিষয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছেন প্রার্থীরা।


