জাতীয়
প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে সক্রিয় প্রশ্নফাঁস চক্র
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘হিসাব সহকারী’ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে পরীক্ষা শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে বিনা নোটিশে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা একদিকে যেমন ক্ষোভ জানিয়েছেন, অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জড়িত বলেও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
হিসাব সহকারী পদের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার সামনে এসেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। এক দফা পিছিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অধিদপ্তর। তবে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থী ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ হয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে। এবারও ১৪ হাজার ৩৮৫ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিতে তৎপর হওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় বেড়েছে।
তাদের অভিযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চপদে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচনের পর আর নাও থাকতে পারেন। অধিকাংশ পদে পরিবর্তন আসতে পারে। এজন্য তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করতে চান। এ কারণে নিয়োগে প্রভাব ও অনিয়মের আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন পক্ষ।


