উজিরপুর
বরিশালে পুলিশ কনস্টেবলের লালসার শিকার গৃহবধূ, দ্বারে দ্বারে ঘুড়েও পাচ্ছেন না বিচার
বরিশাল জেলার উজিরপুর পৌরসভা পরমানন্দসাহা গ্রামের এক গৃহবধূকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দায়ের করেও বিচার না পেয়ে হতাশায় ভুগছে গৃহবধূ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামের মৃত ছালাম মিয়ার মেয়ে মোসাঃ তাসলিমা আক্তার (সাথির) সাথে বরিশাল জেলার উজিরপুর পৌরসভার পরমানন্দসাহা গ্রামের আলামিনের সাথে সামাজিকভাবে বিবাহ হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ৩টি পুত্র সন্তান রয়েছে। তবে ৪/৫ বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। কলহের কারণে দুই বছর পূর্বে ভোলা জেলার আলিনগর ইউনিয়নের সাছিয়া গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে বাবুগঞ্জ থানার কনস্টবল মোঃ শাহিন আজাদের (ব্যাচ নং-১১৩৯) সাথে মোসাঃ তাসলিমা আক্তার সাথিকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শাহিন স্বর্বঃসান্ত করেছেন বলে অভিযোগ সাথির।
এ বিষয়ে গৃহবধূ তাসলিমা আক্তার সাথি কান্নার কন্ঠে বলেন- লম্পট শাহিন আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে এবং ঢাকায় যাওয়ার সময় লঞ্চের কেবিন রুমে প্রায়ই শারিরীক সম্পর্ক ও যৌন নিপিড়ন করে থাকে। এ ঘটনা জানতে পেরে আমার স্বামী আলামিন আমাকে তালাক দেন। শাহিনের বিরুদ্ধে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েও বিচার পাইনি। এমনকি আদালতে মামলা দায়ের করা হলেও তাকে গ্রেফতার করেনি কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
সাথির অভিযোগ- শাহিনের জন্য আমার স্বামীর সংসার ভেঙে গেছে এবং আমি তালাকপ্রাপ্ত হয়েছি।
অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টবল মোঃ শাহিন আজাদের মোবাইল ফোনে কল করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।।
এদিকে ওই লম্পট পুলিশ কনস্টেবলের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন অসহায় ভুক্তভোগী নারী।



