বরিশাল
রোষাণলে শেবাচিমের কর্মচারী শাহাদাত, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি!
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্ত্রীর চিকিৎসায় পরীক্ষা করাতে গিয়ে পুর্বপরিকল্পিতভাবে রোষানলে ও অপতৎপরতার শিকার হয়েছেন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী। অসাধু মহলটির অপ-তৎপরতায় দোষী না হয়েও তদন্তের মুখেও পড়ছেন তিনি। যা নিয়ে হতাশায় ভুগছেন ভুক্তভোগী ঐ কর্মচারী শাহাদাত হোসেন শান্ত। তিনি হাসপাতালের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত। যদিও ঘটনার আদ্যোপান্তে হতবাক ভুক্তভোগী কর্মচারী শান্ত। আর পুরো বিষয়টি একটি পরিকল্পিত সেটিও অনুসন্ধান ও অভিযোগে প্রকাশ্যে এসেছে।
জানা গেছে, শান্ত’র স্ত্রী শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার পরীক্ষায় নীরিক্ষা করাতে সম্প্রতি কয়েকটি ডায়াগনস্টিকে ছুটছিলেন শান্ত। এসময় দালাল বলে কতিপয়দের রোষাণলে পড়েন তিনি। তাকে পুর্বপরিকল্পিতভাবে ফাঁসাতে ডায়াগনস্টিকের ‘দালাল’ বলে আখ্যায়িত করে বিভিন্ন মহলে তথ্য উপস্থাপন করে নানাবিধ অপকৌশল চালিয়ে যাচ্ছে অসাধু ঐ মহলটি। যার ধরূন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শান্তকে হেয় করে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য উপস্থাপিত হয়। যা নিয়ে কৈফিয়ত তলব করে শেবাচিম কর্তৃপক্ষ। একই তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। বিধি অনুযায়ী যথাসময়ে কৈফিয়ত তলবের জবাবও দেন শান্ত।
তলব ও অভিযোগ সুত্র আরও জানা গেছে, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংগঠনের স্বার্থ রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন শান্ত। ইতিপুর্বে সংগঠনের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে একাধিক কর্মচারী বিভিন্ন মাধ্যমে আর্থিকসহ অবৈধ সব ফায়দা লুটে। যা ৫ আগষ্টের পর রুখে দেয় প্রকৃত সংগঠনপ্রেমীরা। যার মধ্যে শান্ত অন্যতম। এছাড়া ঐ সংগঠনের ব্যানারে অনুষ্ঠিত বনভোজনেও বাধা প্রদান করে কতিপয়রা। তবুও সফলভাবে সেই কর্মসূচি সম্পন্ন হওয়া ও সংগঠনকে বৈধ পহ্নায় পরিচালনা করায় শান্তকে রুখতেই নানাবিধ অপ-তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে ঐ মহলটি বলে অভিযোগ ও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শাহাদাত হোসেন শান্ত জানান,একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারী হিসেবে সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে আসছি। এই কারণেই কিছু মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অপপ্রচার চালানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।
এর আগেও আমাদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের বনভোজন কর্মসূচির সময় কিছু অসাধু ব্যক্তি বাধা সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরা সফলভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করি। এসব মিলিয়েই আমাকে দমাতে অসাধু মহলটি নানা অপকৌশল অবলম্বন করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমার স্ত্রী বর্তমানে ফিমেল মেডিসিন ইউনিট-৪ এ চিকিৎসাধীন (রেজিস্ট্রেশন নং: ১৩৭৮৩৬/০৫৪)। তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা করানোর উদ্দেশ্যে আমি একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়েছিলাম। এ সময় কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি আমাকে অহেতুক ও ষড়যন্ত্রমুলক পুর্বপরিকল্পিতভাবে দালাল’ আখ্যায়িত করে অপকৌশল অবলম্বন করে ফায়দা লুটতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে। এ বিষয়ে আমি পরিচালক মহোদয়সহ সংশ্লিস্ট তদন্ত কমিটির সুদৃষ্টি কামনা করছি।