পাথরঘাটা
পাথরঘাটা কুকুরের কামড়ে আহত ৮, হাসপাতালে টিকাসংকট
বরগুনার পাথরঘাটায় এক দিনে কুকুরের কামড়ে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীও পথচারী শিশুসহ আটজন আহত হয়েছেন। পাথরঘাটা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন আহতেরা।
আহতদের স্বজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পরে পাথরঘাটা পৌর শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ও শিশুসহ একের পর এক মানুষকে কুকুর কামড় দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যা দিকে আটজন বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছেন। কুকুরের কামড়ের শিকার ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধের কোনো টিকা নেই। জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধের টিকা সরবরাহ না থাকায় বিপাকে পড়েন সাধারণ মানুষ। বাধ্য হয়ে বেশি দামে ওষুধের দোকান থেকে টিকা কিনছেন তাঁরা।
আহত একজন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, ‘আমার ছেলে ইফতার শেষে নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় কুকুরের কামড়ের শিকার হয়। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক ফার্মেসি থেকে কেনার জন্য লিখে দেন। প্রতিটি ভ্যাকসিনের দাম ১ হাজার টাকার ওপরে। প্রথম দিনে দুটি টিকা দেওয়ার জন্য বলেছে। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের এতটা খরচ করা কষ্টসাধ্য।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহাবুব হোসেন বলেন, বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধের টিকা নেই। পৌরসভা এবং উপজেলায় খোঁজ নিয়েও পাওয়া যায়নি। পরে বাধ্য হয়ে রোগীর স্বার্থে বাইরে থেকে কিনে এনে টিকা দেওয়া হয়।